রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন
গোপন মিসাইল শহরে ঘুম হারাম করছে ইরান—শুরু হবে কখন?
অনলাইন ডেস্ক
ইরানের সামরিক শক্তির এক গোপন রহস্য হলো তাদের বিস্ময়কর মিসাইল ভান্ডার। এটি এমন এক অস্ত্রভান্ডার যা বিশ্বের অনেক দেশের ঘুম হারাম করে রেখেছে। তবে কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, তার কোনো নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি তেহরান। সম্প্রতি ইসরাইলের সেনাবাহিনীর এক শীর্ষ কর্মকর্তা দাবি করেছেন, ইরানের হাতে বর্তমানে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে।
তবে মাত্র ১২ দিনের সংঘাতেই এই সংখ্যা কতটা ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে, তার আঁচ করছে গোটা বিশ্ব। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে এ সংখ্যা আরও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।
যদিও ইরান সরকারি পর্যায়ে কখনোই স্পষ্ট করে জানায়নি তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডারের পরিমাণ, তবে এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন আইআরজিসির (ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী) গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জাব্বারি।
আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জাব্বারি বলেন, ইরানে যে পরিমাণ ভূগর্ভস্থ গুদাম, ‘মিসাইল সিটি’ ও সামরিক স্থাপনা রয়েছে, তার পুরোটা আজও প্রকাশ করা হয়নি। আমাদের কার্যকর ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর একটি বড় অংশই এখনও জনসমক্ষে আনা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, যদি ইসরায়েল বা কোনো ইহুদি রাষ্ট্র যুদ্ধের জন্য আগ্রাসন চালায়, তাহলে সেটা হবে ইতিহাসের জন্য একটি বিস্ময়কর দিন। কারণ, তখন শুধু আইআরজিসি নয়, ইরানের স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনী একযোগে শক্তি প্রয়োগ করবে। আর তখন বোঝা যাবে—ইরান কেবল একটি দেশ নয়, একটি ভয়ংকর প্রতিরোধের নাম।